.

বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার কারণ

বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার কারণে অনেকেই চরম দুশ্চিন্তায় ভোগেন। এটি কোন সামান্য সমস্যা নয়, বরং একটি জটিল শারীরবৃত্তি ও মানসিক প্রতিক্রিয়া। যা যাত্রার পুরো আনন্দটিকে মাটি করে দেয় এবং যাত্রার মধ্যে আপনার মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে।

বাসে-উঠলেই-মাথা-ঘোরার-কারণ

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা শুধু বাসে ওঠার কারণে আপনার মাথা ঘোরার সমস্ত কারণ গুলোকেই চিহ্নিত করবো না। বরং এর গভীরে গিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজে বের করবো। বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব এবং প্রায়োগিক স্থায়ী সমাধানও দেব।

পেজ সূচিপত্রঃ বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার কারণ

বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার কারণ

বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার কারণে অনেকেই চরম দুশ্চিন্তায় ভোগেন। এটি কোন সামান্য সমস্যা নয়, বরং একটি জটিল শারীরবৃত্তি ও মানসিক প্রতিক্রিয়া। প্রথমত প্রধানত গতি জনিত অসুস্থতা বা মোশন সিকনেস এর সাথে জড়িত। আমাদের কানের ভিতরে অবস্থিত ভারসাম্য অঙ্গ বাসের গতি বাক ও দলীয় অনুভব করে। কিন্তু চোখ যখন বই বা মোবাইলের মতো স্থির বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন মস্তিষ্কে সংকেতের দন্দ তৈরি হয়। এই দ্বন্দ্ব মস্তিষ্ককে বিভ্রান্ত করে। ফলে তা শরীরকে একটি সম্ভাব্য বিপদের সংকেত দেয়। যার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয় মাথা ঘোরা, বমি ভাব, ঠান্ডা, ঘাম ও অস্বস্তি শহুরে বাসের অনিয়মিত গতি। 

হঠাৎ ব্রেক ও ট্রাফিক জ্যামের ট্রাফিকের সমস্যাকে বহুগুনে বাড়িয়ে দেয়। যা বাসে উঠে মাথা ঘোরার কারন হিসেবে সরাসরি কাজ করে। দৃষ্টির বিভ্রান্ত এই সমস্যাকে আরো তীব্র করে তোলে। বাসে বসে জানালার বাইরের দ্রুত চলমান দৃশ্য দেখা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় দৃষ্টি কোন স্থির বস্তুতে থাকলে আবারো সংকেত সংঘাত তৈরি হয়। 

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের পার্ট টাইম ইনকাম করার উপায়

এ ছাড়া বাসের অভ্যন্তরের পরিবেশও একটি বড় ভূমিকা পালন করে। অনেক বাসে দুর্বল বায়ু চলাচল, মানুষের ভিড়, শরীরের গন্ধ ও জ্বালানির দূষণ বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। যা সরাসরি মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এবং মাথা ঘোরার সৃষ্টি করে। গরম ও বদ্ধ পরিবেশ শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ কে ব্যাহত করে। ফলে বারতি শারীরিক চাপ তৈরি হয়।

মোশন সিকনেস এর কারণে মাথা ঘোরা 

বাসে উঠলে মাথা ঘোরার সবচেয়ে সরাসরি ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হল মোশন সিকনেস বা গতি জনিত অসুস্থতা। আমাদের দেহের ভারসাম্য রক্ষার প্রধান কেন্দ্র কানের ভেতরের ভেজিটেবলার সিস্টেম এবং চোখ একসাথে কাজ করে। যখন আপনি বাসে বসে থাকেন, চোখ হয়তো স্থির কোন বস্তু দেখে। কিন্তু ভেস্টিবলার সিস্টেম অনুভব করে। এই সংকেতের দ্বন্দ্বে মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং একে বিষক্রিয়ার লক্ষণ ভেবে সর্তকতা জারি করে। ফলে শুরু হয় মাথা ঘোরা, বমি ভাব ও ঘাম হওয়ার মতো প্রতিক্রিয়া।

মূলত এই স্নায়বিক গোলযোগ বাসে বসে মাথা ঘোরার এই সমস্যার প্রথম সক্রিয় সৃষ্টি করে। যা আপনার পুরো যাত্রাকে অশান্তিময় করে তোলে। শহুরে বাসের অনিয়মিত গতি, ট্রাফিক জ্যামে হঠাৎ চলা ও থামা এবং রাস্তার উঁচু নিচু ভাব এই সমস্যাকে বহু গুণে বাড়িয়ে দেয়। যাদের ভেস্টিবুলার সিস্টেম সংবেদনশীল। তাদের জন্য এই প্রতিক্রিয়া আরো তীব্র হয়। এটি একটি জৈব প্রতিক্রিয়া। যার সাথে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জড়িত রয়েছে ।

দৃষ্টি সংকটতার কারণে মাথা ঘোরার সমস্যা 

বাসে ওঠার ফলে মাথা ঘোরার অন্যতম প্রধান সহযোগী হল আমাদের দৃষ্টি ব্যবস্থা। বাসে বসে আপনি যখন বই পড়েন বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তখন আপনার চোখ একটি কাছের বিন্দুতে ফোকাস করে থাকে। কিন্তু একই সময়ে আপনার পার্শ দৃষ্টের মাধ্যমে জানালা দিয়ে বাইরে দ্রুত চলমান দৃশ্য মস্তিষ্কে গিয়ে পৌঁছায়। এই দুই ধরনের দৃশ্য তথ্য একটি স্থির ও একটি গতিশীল মস্তিষ্কে প্রবেশ করে ভয়ানক দন্ড তৈরি করে। এই দ্বন্দ্ব এর সম্ভবত বাসে ওঠার কারণে মাথা ঘোরার কারণ কে আরো জটিল ও তীব্র করে তোলে। 

যাকে অনেক সময় ভিজুয়াল ভার্টিগো বলা হয়ে থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল দৃষ্টিকে সুসংহত করা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বাসে বসে দূরের কোন স্থির বিন্দুর দিকে তাকিয়ে থাকলে, চোখ কানের পাঠানো সংকেতের মধ্যে সমন্বয়ে ঘটে। যেমন দূরের কোন উঁচু ভবন পাহাড় বা দিগন্ত রেখার দিকে দৃষ্টি নিবন্ধন রাখুন। এতে মস্তিষ্ক বাসের গতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এই কারণে মাথা ঘোরার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। 

বদ্ধ পরিবেশের কারণে বাসে উঠলে মাথা ঘোরা

বাসে ওঠার ফলে মাথা ঘোরার এই সমস্যা সনাক্ত করতে গেলে, বাসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে কখনোই উপেক্ষা করা যায় না। বাংলাদেশের অনেক বাসে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকে না। বিশেষ করে পুরনো অভিযুক্ত বাসে সীমিত ফ্যান ও বন্ধ জানালা দিয়ে তৈরি হয় এক বদ্ধ গরম ও দূষিত পরিবেশ। এতে মানুষের নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই অক্সাইড, দেহের গন্ধ, পেট্রোল, ডিজেলের ধোঁয়া ও বিভিন্ন রাসায়নিক গন্ধ মিশে বাতাসকে ভারী করে তোলে। এই ভারী বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। 

বাসে-উঠলেই-মাথা-ঘোরার-কারণ

যা সরাসরি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এর প্রথম লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয় মাথা ঘোরার কারণ। অনেকাংশেই এই অক্সিজেনের স্বল্পতা ও বাতাসের দূষণের ফল। এছাড়া তীব্র কোন গন্ধ সরাসরি মস্তিষ্কের ভারমিস অঙ্গ কে উদ্দীপ্ত করে বমি ভাব তৈরি করতে পারে। তাই সমাধানের একটি বড় অংশ হলো পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ। যতটা সম্ভব জানালার পাশের সিট বেছে নেওয়া। মুখ সামান্য ফাঁকা জায়গার দিকে রাখা এবং গভীর শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করা।

বাসে উঠলে মানসিক উদ্বেগ এর কারণে মাথা ঘোরা

বাসে ওঠার কারণে মাথা ঘোরার সমস্যা কেবল একটি শারীরিক সমস্যায় নয়। তার চেয়ে বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে মানসিক উদ্বেগ ও শর্তাধীন প্রতিক্রিয়া। যদি কখনো বাসে আপনার খুব খারাপ লাগা বা বমি হয়ে থাকে, তাহলে পরেরবার বাসে ওঠার আগেই সাবকন্সিয়াস মস্তিষ্কে একটি ভয় সক্রিয় হয়। এই ভয় শারীরিক প্রতিক্রিয়াকে আমন্ত্রণ জানায়। অর্থাৎ আপনি ভেবেই বসে আছেন যে বাসে ওঠার কারণে মাথা ঘোরার সমস্যা হবে। শরীর সে অনুযায়ী এড্ড্রেনালিন নিঃসরণ করে। 

এই হরমোন হার্টবিট ও শ্বাসক্রিয়া বাড়িয়ে তোলে। যা প্রকৃত মোশন সিগনেচার লক্ষণ গুলোর সূচনা করে। একটি পূরণকারী ভবিষ্যতদারি তৈরি হয়। যেখানে উদ্বেগী সমস্যার জন্ম দেয়। এছাড়া আশেপাশের অন্য কেউ অসুস্থ বোধ করলে বা বমি করলে তা দর্শকের মনেও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এটি এক ধরনের সাইকসোমার্টির প্রতিক্রিয়া যেখানে মনের ভয় সরাসরি শরীরে প্রভাব ফেলে।

শারীরিক স্বাস্থ্য ও ওষুধ খাওয়ার ফলে মাথা ঘোরা

বাসে ওঠার কারনে মাথা ঘোরার সমস্যা অনেক সময় অন্য কোন শারীরিক সমস্যা বা চলমান ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। মাইগ্রেন, ম্যানিয়ার্স ডিজিজ, অন্তঃকর্ণের ইনফেকশন রক্তশূন্যতা, নিম্ন রক্তচাপ বা রক্তের শর্করা কমে যাওয়া। এই সকল অবস্থায় বাসের গতির সাথে যোগ হয়ে তীব্র মাথা ঘোরা তৈরি করতে পারে। যদি আপনি নিয়মিত বাসে ওঠার কারণে মাথা ঘোরার সমস্যায় ভোগেন।

আরো পড়ুনঃ মাথা যন্ত্রণা কমানোর ঘরোয়া উপায়

তাহলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নেওয়া খুবই জরুরী। এছাড়া আপনি নিয়মিত যা ওষুধ সেবন করেন তারপর এই সমস্যার জন্য দায়ী হতে পারে ভারসাম্যহীনতার কারণ হতে পারে। তাই চিকিৎসককে আপনার এই সমস্যার কথা জানালে তিনি ওষুধের ডোজ বা সময় পরিবর্তনের পরামর্শ দিতে পারেন।

মাথা ঘোরার জন্য যাত্রার আগে প্রস্তুতি 

যাত্রা শুরুর আগে কয়েকটি সহজ প্রস্তুতি বাসে ওঠার সময় মাথা ঘোরার সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিতে পারে। প্রথমেই বাসের সিট পছন্দ করুন। জানালার পাশে সামনের দিকে মুখ করে এমন সিট নির্বাচন করুন। যাতে কম দোলন লাগে এবং সামনে দৃশ্য দেখে দৃষ্টি অস্থির থাকে। হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পড়ুন যাতে শরীরে রক্ত সঞ্চালনে বাধা না হয়। সঙ্গে একটি ইমার্জেন্সি কিট রাখুন। 

বাসে-উঠলেই-মাথা-ঘোরার-কারণ

যাতে এক বোতল পানি, কয়েকটি লবণ চিনির বিস্কুট, হালকা সুগন্ধি এবং পলিথিন ব্যাগ। এই সামান্য প্রস্তুতি মনোবল বাড়াবে। যাত্রার অন্তত এক ঘণ্টা আগে হালকা খাবার সেরে নিন এবং বাথরুম ব্যবহার করে নিন। যাতে যাত্রাপথে অস্বস্তি না হয়। গভীর শ্বাসের কিছু ব্যায়াম করে নিলে হার্ট রেট স্বাভাবিক থাকবে এবং উদ্বেগ কমবে। 

মাথা ঘোরার আগে যাত্রা পথের কৌশল 

যাত্রা শুরু হয়ে গেলে কিছু ব্যবহারিক কৌশল আপনাকে বাসে উঠলেই মাথা ঘোরার কারণ এই সমস্যা থেকে রক্ষা করতে পারে। প্রথম ও প্রধান কাজ হলো দূরের কোন স্থির বিন্দুতে তাকিয়ে থাকুন। বই পড়া মোবাইল ব্যবহার বা কাছে কোন জিনিস দেখার কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখুন। যদি স্থির করতে সমস্যা হয়, তাহলে চোখ বন্ধ করে রাখুন। অথবা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম মস্তিষ্কের সংকেত প্রক্রিয়াকরণ সাময়িক বন্ধ রাখে। 

অস্বস্তি অনুভব করবেন না। শরীরকে যথাসম্ভব স্থির ও রিলাক্স রাখুন। সিটে বসুন, মাথা হেড রেস্টে ঠেস দিন এবং অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া এড়িয়ে চলুন। গভীর ও ধীর শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এতে স্পন্দন ঠিক রাখে ও উদ্বেগ কমায়। সঙ্গে রাখা পিপারমেন্ট তেলের সুগন্ধ শুকতে পারেন বা কাঁচা লেবুর টুকরো চুষতে পারেন। এগুলো বমি ভাব দূর করতে সহায়ক। 

মাথা ঘোরার জন্য দীর্ঘমেয়াদি সমাধান 

বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার সমস্য্যার সমাধান শুধু যাত্রাকালীন নয়। দৈনন্দিন জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে স্থায়ীভাবে এই সমস্যা কাটিয়া ওঠা সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম বিশেষ করে ভারসাম্য রক্ষা কারি ব্যায়াম দৃষ্টির সিস্টেমকে শক্তিশালী করে থাকে। এছাড়া দৌড়ানো, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটাও সহায়ক সহ্য করতে সাহায্য করে। যদি সমস্যা খুব বেশি হয়। 

আরো পড়ুনঃ কিডনি রোগের কারণ,লক্ষণ ও প্রতিকার

তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে কিছু ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত ছাড়া নেবেন না সবচেয়ে বড় কথা আস্তে আস্তে এক্সপোজার থেরাপি অনুসরণ করা। ছোট যাত্রা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে যাত্রার দূরত্ব ও সময় বাড়ানো। এতে করে শরীর ও মন ধীরে ধীরে বাসের গতির সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং বাসে উঠলেই মাথা ঘোরার মতো এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

শেষ কথা বাসে উঠলেই মাথা ঘোরার কারণ 

বাসে উঠলেই বমি ও মাথা ঘোরার কারণ এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া একেবারেই অসাধ্য কিছু নয়। এটি একটি জটিল কিন্তু সমাধানযোগ্য সমস্যা। যার মূল শিকড় রোথিত আছে শরীর ভিত্তি মনস্তত্ত্ব ও পরিবেশের সংমিশ্রণে। এই আর্টিকেলে আমরা বাসে উঠলে মাথা ঘোরার নানা কারণ এর প্রতিটি দিক বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। প্রতিটির সমাধান সহ দিয়েছি। মনে রাখবেন চূড়ান্ত সমাধানটি হলে স্প্রেক অর্থাৎ সামগ্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। দৈনন্দিন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যাত্রার আগে দলদরি প্রস্তুতি। 

যাত্রাপথে সচেতন কৌশল এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনেক সহায়তা মূলক হয়ে উঠবে। এই চারটি স্তম্ভের উপর ভর করেই আপনি গড়ে তুলতে পারেন আপনার প্রতিরোধ ব্যবস্থা। আপনার এই কষ্টকে হার মানাতেই হবে। ধৈর্য ধরে ধাপে ধাপে পরামর্শ গুলো অনুসরণ করুন। প্রথমে হয়তো পুরোপুরি কাজ নাও করতে পারেন। কিন্তু ধীরে ধীরে শরীর ও মন বাসের যাত্রার সাথে খাপ খাইয়ে নেবে। আপনার যাত্রা হোক নিরাপদ স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আনন্দদায়ক।  

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি সিসি’র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url