Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস

Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তবে আপনি সম্পূর্ণ সঠিক জায়গায় চলে আসছেন। কেননা আজকে আমি আমার আর্টিকেলটিতে এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
বর্তমানে অনেকেই Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখতে চাই। যার জন্য এর পদক্ষেপ হিসেবে অনেকেই অনেক কিছু করে থাকে। আমিও এ বিষয়ে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে আলোচনা করব। তাই এ বিষয়ে জানতে সাথে থাকুন।

পেজ সূচিপত্র:- Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সম্পর্কে আলোচনা

Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস

Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা আজকে আমাদের কাজ। যেহেতু অনেকেই এই বিষয়টি সম্পর্কে জানে না তাই প্রত্যেকের সুবিধার জন্য আজকে আমার আর্টিকেলটিতে এই বিষয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আলোচনা করব। তাই সম্পূর্ণ বিষয়টি জানতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন। যেন পরবর্তী সময়ে আপনি এই বিষয়ে কোন সমস্যার সম্মুখীন না হন। নিচে এ বিষয়টি পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলো। 

১. জিমেইল একাউন্ট সিকিউর রাখতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা 

জিমেইল একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরীর ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড এর মধ্যে ছোট এবং বড়, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে। এর জন্য Gmail app অথবা Chrome browser থেকে Gmail লগইন করতে হবে।
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
এরপর উপরের দিকে থাকা প্রোফাইল পিকচার বা profile icon এ click করতে হবে। এরপর manage your Google account এ ক্লিক করে security অপশনে যেতে হবে।
 
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
নিচের দিকে থাকা পাসওয়ার্ড অপশনে ক্লিক করে সেখান থেকে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে। এরপর সেই পাসওয়ার্ডটি পুনরায় ভেরিফিকেশন করার পরে সেটি সেভ করতে হবে। 
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
২. Two-step verification চালু করতে হবে 

জিমেইল একাউন্টে two-step verification চালু করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এর মাধ্যমে জিমেইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইনের পাশাপাশি একটি কোড যাবে। এই কোডটি দিয়ে সাবমিট করলে জিমেইলে লগইন করা যাবে। তাই জিমেইলকে আরো সিকিউর রাখার জন্য এটি প্রয়োজন। এর জন্য আবার পূর্বের মতো করে জিমেইল একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। 

এবার manage your Google account অপশন এ ক্লিক করে নিচের দিকে থাকা security অপশনে click করতে হবে। নিচের দিকে স্ক্রল করলে "2-step verification" অপশনটি পাওয়া গেলে সেখানে প্রবেশ করতে হবে ।
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
এরপর start বাটনে ক্লিক করে পাসওয়ার্ড ও মোবাইল নাম্বার যোগ করে কোড নেওয়ার ধারণ নির্বাচন করতে হবে। এরপর ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করে সাবমিট করলেই এই ধাপটি সম্পন্ন হবে।
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
৩. Recovery email যোগ করতে হবে 

কোন ব্যবহারকারী যদি কখনো ইমেইলের পাসওয়ার্ড ভুলে যান বা একাউন্টে ঢুকতে না পারেন কোন সমস্যার কারণে তবে রিকভারি ইমেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারী পুনরায় তার একাউন্টটি ত ঢুকতে পারবেন। অর্থাৎ ব্যবহারকারী কোন কারণে তার ইমেল একাউন্টটি হারিয়ে ফেললে এর মাধ্যমে তা পুনরায় ফিরে পেতে পারেন। 

৪. মোবাইল নম্বর যুক্ত করা 

একাউন্টে মোবাইল নাম্বার যুক্ত করা থাকলে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা যাচাই করা সহজ হয় । এর পাশাপাশি ব্যবহারকারী যদি চায় তার মোবাইল নম্বর এর মাধ্যমে জিমেইল একাউন্টের পাসওয়ার্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করতে পারেন। যা একটি ইমেইল আইডি একাউন্টের নিরাপত্তা আরও জোরদার করে। 

৫. লগইন ডিভাইস চেক করা

কোন কোন ডিভাইস থেকে ইমেইল একাউন্টটি লগইন করা আছে মাঝে মাঝে তা চেক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা অচেনা ডিভাইস থেকে একাউন্টটি লগইন হলে তা এর মাধ্যমে খুব সহজে জানা যায় এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তা রিকভার করার ব্যবস্থা নেয়া যায়। 

৬. Security checkup ব্যবহার করা 

Google এ থাকা security checkup ফিচার করে একাউন্টের বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানা যায়। এতে করে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট এর কোন ঝুঁকি বা ও নিরাপদ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এটি একাউন্ট এর নিরাপত্তা আরো বৃদ্ধি করে।

৭. অপ্রয়োজনীয় app এক্সেস বন্ধ করতে হবে 

অনেক সময় google বিভিন্ন রকমের অ্যাপ এক্সেস চেয়ে থাকে। এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় বা অচেনা এপ এক্সেস বন্ধ করতে হবে। কারণ এগুলোর দ্বারা জিমেইল একাউন্টটি অনিরাপদ হয়ে ওঠে। 

৮. অচেনা ও সন্দেহ জনক ইমেইল এড়িয়ে চলতে হবে 

৯. পাবলিক ডিভাইসে ইমেইল একাউন্ট লগইন করলে অবশ্যই তা লগ আউট করতে হবে 

১০. নিয়মিত বা কিছুদিন পর পর পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে হবে। 

জিমেইল একাউন্ট কি বা কাকে বলে

জিমেইল হলো আন্তর্জাতিক গুগলের একটি ইমেইল সার্ভিস। এই জিমেইল সার্ভিসটি ব্যবহারকারীকে ইমেইল পাঠানো, গ্রহণ ও সংরক্ষণের কাজ করে। এটি ব্যবহার করার মাধ্যমে Google drive, Google meet, Google docs সহ গুগলের অন্যান্য সেবাই লগইন করা যায়। জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী প্রফেশনাল বা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য ইমেইল একাউন্ট তৈরি করতে পারে। যা ব্যবহারকারীর কাজকে আরো সহজ করে। 
Gmail-একাউন্ট-সিকিউর-রাখার-জন্য-১০টি-গুরুত্বপূর্ণ-সেটিংস
যদি একজন ব্যবহারকারীর একটি জিমেইল একাউন্ট থাকে তবে সেই ব্যবহারকারী তার জিমেইল একাউন্টটি ব্যবহার করে বিভিন্ন ডকুমেন্টস, ছবি বা ভিডিও ইমেইল এর মাধ্যমে আদান-প্রদান বা সংরক্ষণ করতে পারবেন। এছাড়া একটি ইমেইল একাউন্ট ব্যবহারকারীর নানা ধরনের তথ্য নিরাপত্তার সাথে সংরক্ষণ করে থাকে। এছাড়া একটি gmail account নানা ধরনের নিরাপত্তা সেটিংস অফার করে থাকে। যা একজন ব্যবহারকারীকে আরও বেশি নিরাপদ করে।

জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করার কারণ

একটি জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। একই জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী তার কাজের সুবিধার জন্য ইমেইল একাউন্ট তৈরি করতে পারেন। এই ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী অন্য একটি ইমেইল একাউন্টে খুব সহজেই তার বিভিন্ন ডকুমেন্ট, ছবি বা ভিডিও নিরাপদ ভাবে আদান প্রদান করতে পারে। জিমেইল একাউন্ট ফ্রি এটি অন্য যেকোনো ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়।
জিমেইল একাউন্ট শুধু ইমেইল এর জন্য নয়, বরং গুগলের আরো অন্যান্য সেবা যেমন google docs, google meet, google drive, YouTube এর মত আরো বিভিন্ন ফিচারসমূহ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কাজে আসে। একটি জিমেইল একাউন্ট আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও নিরাপত্তার সাথে সংরক্ষিত রাখে। এছাড়া জিমেইলের কিছু নির্দিষ্ট সুরক্ষা সিস্টেম থাকায় একজন ব্যবহারকারী জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পেয়ে থাকে তার কাজের উপর। তাই প্রায় প্রত্যেকেই এই জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে থাকে।

জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করার সুবিধা

জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করার অনেকগুলো বিশেষ সুবিধা রয়েছে। যে সমস্ত সুবিধার কারণে একজন ব্যবহারকারী এই জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পেয়ে থাকে এবং আনন্দ পেয়ে থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো একজন ব্যবহারকারী খুব সহজেই এর দ্বারা তৈরি ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে ইমেইলের মাধ্যমে তার বিভিন্ন ডকুমেন্ট, ছবি বা ভিডিও খুব সহজে অন্যের সাথে আদান-প্রদান করতে পারে।

এছাড়াও Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস এ জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে গুগলের বিভিন্ন ফিচার যেমন YouTube, Google meet, Google docs, Google drive ছাড়াও গুগলের আরো ফিচার ব্যবহার করা যায়। একটি জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, ছবি, ভিডিও বা আরো প্রয়োজনের জিনিস অত্যন্ত নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়। একটু জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে তথ্য আদান-প্রদান ও সংরক্ষণ করা যায়। 

জিমেইল একাউন্ট সিকিউর রাখার গুরুত্ব

বর্তমান সময়ে অর্থাৎ ডিজিটাল যুগে জিমেইল একাউন্টে আমাদের অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে ইমেইলে ব্যাংক বা পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য থাকে। অনেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ছবি বা ভিডিও সংরক্ষিত করে থাকে। এক্ষেত্রে জিমেইল একাউন্টটি যদি সুরক্ষিত বা নিরাপদ না হয় তবে হ্যাকার যেকোনো সময় জিমেইল একাউন্টে লগইন করে এসব তথ্য চুরি করে নিতে পারে। তাই জিমেইল একাউন্ট নিরাপদ রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো।

এক্ষেত্রে একজন ব্যবহারকারী শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, two-step verification, recovery email ও মোবাইল নম্বর যুক্ত করে, সন্দেহজনক লিংক এড়ানোর মাধ্যমে এবং নিয়মিতভাবে সিকিউরিটি চেকআপ করার মাধ্যমে তার জিমেইল একাউন্টে সুরক্ষিত করতে পারে। একটি সুরক্ষিত ও নিরাপদ gmail একাউন্ট একজন ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক তথ্য নিরাপদ রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরী। এজন্য জিমেইল একাউন্টটি সব সময় শুভ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

জিমেইল একাউন্ট সিকিউর রাখার উপকারিতা

একটি জিমেইল একাউন্ট সিকিউর রাখার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী তার যাবতীয় ডিজিটাল তথ্য অথবা সংবেদনশীল তথ্যসমূহ নিরাপত্তার সাথে সংরক্ষণ করতে পারে। এক্ষেত্রে একজন ব্যবহারকারী তার জিমেইল একাউন্টে হ্যাকারের প্রবেশ বন্ধ করার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, two-step verification, recovery email address, মোবাইল নাম্বার যুক্ত করা, অচেনা ও নিরাপদ ইমেইল এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত সিকিউরিটি চেকআপের মাধ্যমে তার একাউন্টটি সিকিউর রাখে। যার মাধ্যমে অনুমোদিত প্রবেশকারী একাউন্টের এক্সেস পায়না।

একটি জিমেইল একাউন্ট শুধুমাত্র ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত করে না, বরং এটি ব্যবসায়িক তথ্য বা পেশাগত যোগাযোগের সমস্ত তথ্য নিরাপদ রাখে। নিরাপদ জিমেইল একাউন্ট এর মাধ্যমে বিভিন্ন ডকুমেন্ট, ফাইল বা ইমেইল বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এছাড়া একটি সুরক্ষিত ও নিরাপদ জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার ডিজিটাল পরিচয় তুলে ধরতে পারে। যা বর্তমান সময়ে ব্যবহারকারীর জন্য অত্যন্ত উপকারিতার বিষয়।

জিমেইলে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার গুরুত্ব

বর্তমান সময়ে অর্থাৎ ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তির যুগে নিরাপত্তা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে ওই সকল ক্ষেত্রে যেখানে অনলাইনে একজন ব্যবহারকারী তার বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক তথ্য আদান প্রদান করে থাকে। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো জিমেইল একাউন্ট। একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী তার যাবতীয় ডকুমেন্টস, ফাইল বা ইমেল আদান প্রদান করে থাকে। যেখানে তার বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক তথ্য থাকে। অনেক সময় হ্যাকাররা এইসব তথ্য পাওয়ার জন্য জিমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে।

কিন্তু এই সকল হ্যাক হওয়ার হাত থেকে জিমেইল একাউন্টে রক্ষা করার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিতে হয়। কারণ যখন ব্যবহারকারী তার জিমেইল অ্যাকাউন্টটিতে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিবে তখন হ্যাকার সহজে তার একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। কারণ কোন একাউন্ট হ্যাক করার সর্বপ্রথম বিষয় হলো পাসওয়ার্ড হ্যাক করা। এক্ষেত্রে কোনো ব্যবহারকারী যদি তার একাউন্টে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখে তাহলে যে কেউ তার একাউন্টটিতে সহজে প্রকাশ করতে পারবে না। তাই একটি জিমেইল একাউন্ট নিরাপদ ও সুরক্ষিত করার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ।

অচেনা ডিভাইস থেকে জিমেইল লগইন হলে কিভাবে বুঝবেন

যেকোনো ভিন্ন ডিভাইস থেকে জিমেইল একাউন্ট লগইন হলে গুগল আপনাকে আপনার দেয়া ইমেইল এড্রেস বা মোবাইল নম্বরের email বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠায়। এছাড়া আপনি নিজেও জিমেইল অ্যাপ বা ব্রাউজারে last account activity এর মাধ্যমে চেক করতে পারেন আপনার অ্যাকাউন্টটি সর্বশেষ কোন ডিভাইসে লগইন হয়েছে। এখান থেকে দেখা যায় কোন কোন ডিভাইসে এবং কোন লোকেসনে আপনার জিমেইল একাউন্টটি লগইন করা হয়েছে। 
এক্ষেত্রে যদি last account activity এর মধ্যে কোন অচেনা বা অনিরাপদ ঝুঁকিপূর্ণ ডিভাইসে আপনার একাউন্টে লগইন করা হয়ে থাকে তবে তা আপনি দেখতে পাবেন। এবং সেখানে থাকা নগআউট অপশন এর মাধ্যমে সেই ডিভাইস থেকে আপনি আপনার একাউন্টে লগ আউট করতে পারবেন। এ ছাড়া পাসওয়ার্ড পরিবর্তন বা two step verification এর মাধ্যমেও আপনি আপনার একাউন্টে আরো বেশি সুরক্ষিত করতে পারবেন। এইজন্য Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সম্পর্কে প্রত্যেককে জেনে রাখতে হবে। 

অন্য ডিভাইস থেকে জিমেইল একাউন্ট লগআউট করার নিয়ম

বর্তমান সময়ে একটি জিমেইল একাউন্ট একজন ব্যবহারকারীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেননা একটি জিমেইল একাউন্টের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী তার ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়ী সমস্ত তথ্য সংরক্ষিত বা আদান প্রদান করে থাকে। এক্ষেত্রে যদি অন্য কোন ডিভাইসে তার জিমেইল একাউন্ট টি লগইন করা থাকে তবে তা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। এইজন্য অন্য ডিভাইস থেকে জিমেইল একাউন্ট লগআউট করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। কেননা এর দ্বারা একজন ব্যবহারকারীর যাবতীয় তথ্য হ্যাক বা চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অন্য-ডিভাইস-থেকে-জিমেইল-একাউন্ট-লগআউট-করার-নিয়ম
অন্য ডিভাইস থেকে জিমেইল একাউন্ট লগ আউট করার জন্য প্রথমে gmail অ্যাপ বা chrome ব্রাউজার এর মাধ্যমে জিমেইল অ্যাকাউন্টটি ওপেন করতে হবে। এরপর manage your Google account এ প্রবেশ করে সেখান থেকে security এরপর your device অপশনে যেতে হবে। এখানে আপনি সকল ডিভাইসের নাম দেখতে পাবেন যেখানে আপনার  জিমেইল একাউন্ট লগইন করা আছে। এই তালিকায় থাকার যে কোন অচেনা বা সন্দেহভাজন ডিভাইসের নাম দেখলে সেটা সিলেক্ট করে sign out বাটনে চাপ দিলেই সেই ডিভাইস থেকে আপনার জিমেইল একাউন্টটি লগআউট হয়ে যাবে। 

শেষ কথা

Gmail একাউন্ট সিকিউর রাখার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সম্পর্কে আলোচনা করায় ছিল আজকের আমাদের প্রধান বিষয়। কেননা একটি জিমেইল একাউন্ট একজন ব্যবহারকারীর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র তার যাবতীয় তথ্য সুরক্ষিত ও সংরক্ষিত করস ক্ষেত্রে। এই ক্ষেত্রে যদি তার অ্যাকাউন্টটি শিওর না হয় তবে তা হ্যাক বা চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য প্রত্যেক ব্যবহারকারীর প্রয়োজন তার জিমেইল একাউন্ট সিকিউর করে রাখা। তাই আপনার উচিত আপনার জিমেইল একাউন্টটি সব সময়ের জন্য সেকেন্ড করে রাখা। আর এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। 260207

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি সিসি’র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url