বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস
বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস এই বিষয়টি বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে এক বাস্তব এবং কষ্টদায়ক সমস্যা। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে যখন একটু শীতল বৃষ্টির প্রতীক্ষায় থাকি, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ চলে যায়। আর বন্ধ হয়ে যায় ফ্যান।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা শুধু টিপসই দেব না। বরং বৃষ্টির শব্দ, প্রকৃতির
শীতলতা এবং ঘরোয়া প্রযুক্তিকে কিভাবে আপনার উপকারে লাগাবেন সেই কলাকৌশল গুলো
শেখাবো। এছাড়াও আমরা এই সকল দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করব।
পেজ সূচিপত্রঃ বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস
-
বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস
-
ঘরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
-
বিছানা ও শয়ন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন
-
শরীর শীতল করার প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া কৌশল
-
বৃষ্টির শব্দ ও প্রকৃতিকে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার
-
পানির কৌশল গত ব্যবহার
-
মশা ও পোকামাকড় থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক উপায়
-
মানসিক শান্তি ও রিলাক্সেশন টেকনিক
-
শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ যত্ন
-
শেষ কথাঃ বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস
বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস
বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস সম্পর্কে এখন অনেকেই জানতে ইচ্ছুক। বৃষ্টির দিনে যখন বিদ্যুৎ চলে যায় এবং ফ্যান বন্ধ হয়ে যায়, তখন ঘুমানো অনেকের কাছেই দুঃস্বপ্নের মতো মনে হয়। গুমোট গরম মশার উপযোগ আর অন্ধকার মিলিয়ে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে। কিন্তু কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক কৌশল জানা থাকলে, আপনি এই অস্বস্তি কর পরিস্থিতিতেও আরামে ঘুমাতে পারবেন। প্রথমেই আপনার ঘরের জানালা, দরজা খুলে ক্রসফিনেশন এর ব্যবস্থা করুন। এক দিকের জানালা খুলে অপরদিকে দরজা বা জানালা খুলে রাখুন।
যাতে বাতাস সরাসরি প্রবাহিত হতে পারে। বৃষ্টির পরে শীতল বাতাস ঘরে ঢুকলে তা প্রাকৃতিক শীতলীকরণের কাজ করবে। আপনার বিছানার চাদর ও বালিশের কভার পরিবর্তন করুন। সিনথেটিক এর বদলে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারে। এমন সুতি কাপড় ব্যবহার করুন। কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা করে নিলে আরো ভালো হয়। আরেকটি কার্যকরী টিপস হলো ভেজা কাপড়ের ব্যবহার মোটা কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভালো করে চিপে নিন। তারপর বিছানার চাদরের উপর বা শরীরের উপর হালকা করে রাখুন।
আরো পড়ুনঃ বিয়ের পর আগের মতো সম্পর্ক নেই
পানি বাষ্পী ভূত হওয়ার সময় শরীরের তাপ সুসে নেবে। মেঝেতে পানি ছিটিয়ে দিলেও
ঘরে তাপমাত্রা কমে যায়। শরীর শীতল রাখতে বৃষ্টির পানি বা ঠান্ডা পানি দিয়ে
পা ধুয়ে নিন। কপালে ঘাড়ে ভেজা কাপড় রাখুন। হালকা সুতি কাপড়ের পোশাক পড়ুন এবং
পর্যাপ্ত পানি পান করুন। মশা থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার করুন এবং প্রাকৃতিক
প্রতিরোধক হিসেবে নিম তেল বা লেবু লং এর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।
ঘরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
বৃষ্টির দিনের ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর যতগুলো টিপসরয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার ঘরে তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করা। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর পরই আপনার প্রথম কাজ হবে ঘরের সব জানালা খুলে দেওয়া। বৃষ্টির কারণে বাতাসে একটু শীতল ভাব থাকলেও, সেটি শুধু তখনই কাজে লাগবে। যখন বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকবে। জানালা খুলে ক্রস ভেন্টিলেশন এর ব্যবস্থা করুন। অর্থাৎ জানালা খোলা রাখুন। যাতে বাতাস সরাসরি এক প্রান্ত থেকে অনপ্রান্তে চলাচল করতে পারে। দ্বিতীয়ত ঘরের পর্দা বা কার্পেট এর দিকে নজর দিন।
বাড়ি পর্দা দিনের বেলা তাপ ধরে রাখে। সেগুলো সরিয়ে হালকা পাতলা সুতি কাপড়ের পর্দা ব্যবহার করুন। যা বাতাসকে ভিতরে আসতে দেবে। কিন্তু বাইরের উষ্ণতা আটকাবে না। তৃতীয়তঃ যদি সম্ভব হয় ঘরের মেঝেতে পানি ঝাড়ু দিন বা ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। এই প্রাচীন পদ্ধতিটি বাষ্পীয় ভবনের মাধ্যমে ঘরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। পানির অণু গুলো বাতাসের সংস্পর্শে এসে বার্ষিক হওয়ার সময় আশে পাশের তাপ শোষনের ফলে পরিবেশ শীতল হয়।
বিছানা ও শয়ন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন
আপনাকে আপনার স্বয়ং ব্যবস্থাকে নতুন ভাবে সাজাতে হবে। প্রথমে সরিয়ে ফেলুন আপনার সিনথেটিক বা পলিস্টারের চাদর ও বালিশের কভার। এই কাপড় গুলো শরীরের তাপ আটকে রাখে এবং ঘাম চুষে নেয় না। পরবর্তীতে ব্যবহার করুন শতভাগ সুতি কটন বা লিনিয়নের তৈরি চাদর। সুতি কাপড় শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারে। আরো ভালো হয় রেফ্রিজারেটরে বা আইস বক্সের পাশে কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তবে ভেজা অবস্থায় ব্যবহার করবেন না। শুকনো হতে হবে।
আপনার ম্যাট্রেস বা তোষক এর দিকে নজর দিন। প্লাস্টিক বা সিনথেটিক কভারে মোরা থাকে অনুভব হয়। আপনি চাইলে ম্যাট্রেসের উপর একটি বাঁশের চাটাই বা শীতলতা প্রদানকারী ম্যাপ বিছিয়ে নিতে পারেন। বাস প্রাকৃতিক ভাবে ঠান্ডা এবং বাতাস চলাচল করতে দেয়। এরপর বাড়ির সব কভার পরিবর্তন করুন। সুতি কভারের ভিতরের বালিশটি বের করে কিছুক্ষণ ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। তাহলে এটি শীতল হবে এবং ঘুম ভালো হবে।
শরীর শীতল করার প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া কৌশল
বৃষ্টির দিনে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস শুধু বাইরের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলে হয় না। শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রাও কমাতে হয়। প্রথম এবং সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পর্যাপ্ত ঠান্ডা পানি পান করা। তবে শোবার ঠিক আগে খুব বেশি পানি পান করাবেন না। তাতে রাতে টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে এবং ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে পানি পান করুন। সবার আগে হালকা গরম পানি বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন। অনেকেই মনে করেন বড়ফ ঠান্ডা পানি ভালো। কিন্তু এটি শরীরকে চমকে দিয়ে বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে।
হালকা গরম পানি রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরে অভ্যন্তরীণ তাপ বের করে দিতে সাহায্য করে। গোসলের পর শরীর ঠান্ডা বাতাসে শুকাতে দিন। এতে আরো অনুভূতি আসবে। শরীরের প্রধান পালস পয়েন্ট গুলো ঠান্ডা করুন। আমাদের দেহে কিছু জায়গা আছে যেখানে রক্তনালী ত্বকের খুব কাছাকাছি থাকে। যেমন কব্জি, গলা, কনুইয়ের ভাত এবং গোড়ালি একটি ভেজা ঠান্ডা কাপড় বা আইসপ্যাক এই জায়গা গুলোতে পাঁচ থেকে দশ মিনিট রাখলে দ্রুত সারা শরীর শীতল হবে।
বৃষ্টির শব্দ ও প্রকৃতিকে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার
বৃষ্টির দিনে বিদ্যুৎ চলে গেলে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস গুলোর একটি অরণ্য দিক হল বৃষ্টিকেই আপনার ঘুমের সহায়ক বানিয়ে নেওয়া। বৃষ্টির শব্দ একটি প্রাকৃতিক হোয়াইট নয়েজ যা অন্যান্য বিরক্তি কর শব্দ ঢেকে দিতে পারে এবং মনকে শান্ত করে। প্রথমে ঘরের জানালা এমন ভাবে খুলে রাখুন। যাতে বৃষ্টির শব্দ ভিতরে আসে কিন্তু পানি ঢুকবে না। বৃষ্টির শব্দ একটি মাত্রা যোগ করবে। দ্বিতীয়তঃ যদি বৃষ্টি না হয় বা খুব হালকা হয়, তাহলে আপনি ইন্টারনেট বা মোবাইলের রেকর্ড করা বৃষ্টির শব্দ চালু করতে পারেন। অবশ্যই স্মার্টফোনের স্ক্রিনের আলো কমিয়ে বা উল্টো করে রেখে এটি করুন।
যাতে আলো চোখে না পড়ে। তৃতীয়তঃ বৃষ্টির পরের সতেজ ও শীতল বাতাসকে কাজে লাগান। বৃষ্টি থামার পরপরই বাতাসে এক ধরনের শীতল ভাব থাকে। এই সময়ে জানালা খুলে বাতাস ঢুকতে দিন। এটি ঘর দ্রুত ঠান্ডা করবে। বৃষ্টির দিনে আপেক্ষিক আদ্রতা সম্পর্কে সচেতন হন। বৃষ্টির সময় আদ্রতা বেশি থাকায় ঘাম সহজে শুকায় না। যা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। এই সমস্যার সমাধানে আপনি একটি শুকনো ও পরিষ্কার তোয়ালে বা নরম কাপড় পাশে রাখতে পারেন। যা দিয়ে মাঝে মাঝে শরীর মুছে নিতে পারেন।
পানির কৌশল গত ব্যবহার
বৃষ্টির দিনে বিদ্যুৎ ছাড়া ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী একটি টিপস হল পানির বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াকে কাজে লাগানো। বিজ্ঞানের একটি সহজ নীতি অনুসারে তরল বাষ্পে পরিণত হওয়ার অসময় আশেপাশ থেকে তাপ শোষণ করে। ফলে পরিবেশ শীতল হয়। এই নীতিকে কাজে লাগানোর প্রথম উপায় হল ভেজা তোয়ালে বা মোটা কাপড় ব্যবহার করা।
আরো পড়ুনঃ বিশেষ দিনে ত্বক কে উজ্জ্বল ও লাবণ্যময় করবেন যেভাবে
একটি পরিষ্কার সুতি তোয়ালে বাশারী ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নিন। ভালো করে চিপে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিন। যাতে সেটি ভেজা থাকে। কিন্তু টপটপ করে না। আপনার বিছানার চাদরের উপর বিশেষ করে থাকেন সেই জায়গায় ছড়িয়ে রাখুন। আপনি সরাসরি ভেজা কাপড়ের উপরও শুতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে আরেকটি শুকনো পাতলা চাদর উপরে রাখতে হবে। যাতে শরীর বেশি ভেজা না হয়।
মশা ও পোকামাকড় থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক উপায়
বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস কার্যকর করতে গেলে মশা ও অন্যান্য পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বৃষ্টির পরে মশার উপদ্রব বহুগুনে বেড়ে যায় এবং ফ্যান না থাকায় তারা আপনাকে যথেষ্ট করে তুলতে পারে। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো জানালায় মশারি বা নেট লাগানো। লোডশেডিং এ জানালা খোলা রাখা জরুরী। তাই সব জানালায় মশারির নেট থাকা চাই। যাতে বাতাস ঢুকলেও মশা ঢুকতে না পারে। বিছানার জন্য মশারি ব্যবহার করুন।
এটি একটি শতাব্দী প্রাচীন কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী পদ্ধতি। ঝুলন্ত মশারি বিছানার চারদিকে টানিয়ে নিন। মশারি ভিতরে ঢোকার আগে নিশ্চিত হন কোনো মশা ভিতরে নেই। প্রাকৃতিক ভাবে নিরোধক ব্যবহার করুন। নিম তেল, ইউকেস তেল, লেবু ও ইউক্লিপটাস তেলের মিশ্রণ বা লেভেন্ডার তেল শরীরে লাগানোর পর মশা কাছে আসে না। এই তেল গুলো বাতাসে ছড়িয়ে দিলেও কাজ করে। আপনি একটি ডিফিউজারে পানি নিয়ে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল ওয়েল মিশিয়ে রাখতে পারেন।
মানসিক শান্তি ও রিলাক্সেশন টেকনিক
বৃষ্টির দিনে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস গুলোর মধ্যে শুধু শারীরিক ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। মানসিক শান্তি অর্জন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গরম, অন্ধকার এবং নিস্তব্ধ পরিবেশে আমাদের মাঝে উদ্বেগ ও অস্বস্তি কাজ করতে পারে। শ্বাস প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন। সর্বপ্রথম বিছানায় শুয়ে বা বসে ধীরে ধীরে নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিন। কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন। তারপর মুখ দিয়ে দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ুন। এটি হার্ট রেট কমায় এবং শরীরকে শীতল করার সংকেত দেয়।
দ্বিতীয়ত প্রগতিশীল বেশি শিথিলীকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করুন। শুরু করে মাথা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি পেশী গ্রুপকে কয়েক সেকেন্ড স্টাইট করুন। তারপর ছেড়ে দিন। এটি শরীরের টেনশন দূর করবে। মনকে ইতিবাচক চিন্তায় ব্যস্ত রাখুন। লোডশেডিং এর সময় অন্ধকারে এটা না করে নিজেকে একটু শান্তিপূর্ণ জায়গায় ভাবুন। যেমন একটি পাহাড়ি ঝরনা বা বৃষ্টির সিক্ত মাঠ কল্পনা করুন। আপনি সেখানে হাঁটছেন।
শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ যত্ন
বৃষ্টির দিনে কারেন্ট চলে গেলে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস গুলোর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক সদস্যদের জন্য আলাদা বিবেচনা দাবি করে। কারণ তাদের শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বেশি সংবেদনশীল। শিশুদের জন্য প্রথমেই নিশ্চিত করতে হবে তারা হালকা সুতি কাপড় পড়েছে এবং শরীরে ঘাম জমছে না কি না। শিশু পিঠ ও ঘারে হাত দিয়ে দেখুন গরম ও ঘামাচ্ছে কিনা। শিশুর বিছানার চাদর ঠান্ডা রাখার বিশেষ ব্যবস্থা নিন।
আরো পড়ুনঃ সূর্যমুখী তেলের উপকারিতা - সূর্যমুখী বীজের যত পুষ্টি গুণ
একটি পরিষ্কার সুতি কাপড় ভিজিয়ে শিশুর তো সব বা চাটায়ের উপর বিছিয়ে দিন। তার উপর আরেকটি পাতলা শুকনো চাদর দিতে পারেন। শিশুকে সেই ঠান্ডা পৃষ্ঠে সুয়ালে সে আরাম পাবে। শিশুকে ঠান্ডা পানীয় ও হালকা খাবার দিন। আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানির বদলে ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি ফলের জুস দিন। শিশুকে সেই ঠান্ডা বৃষ্টির ছোয়ালে আরাম পাবে। শিশুকে ও হালকা খাবার দিন। আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানি এর বদলে ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি ফলের জুস দিন।
শেষ কথা বৃষ্টির দিনে লোডশেডিং এ ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস
বৃষ্টির দিনে লোডশেডিংয়ে ফ্যান ছাড়া ঘুমানোর টিপস শুধুমাত্র কিছু জরুরি ব্যবস্থা নয়। বরং এটি একটি জীবন যাপনের দর্শনে পরিণত হতে পারে। যা আপনাকে প্রকৃতির সাথে বেশি সংযুক্ত করবে এবং শক্তির উপর কম নির্ভরশীল করবে। প্রথম দীর্ঘ মেয়াদী অভ্যাস হলো আপনার ঘরের নকশা কে আরো প্রাকৃতিক বাতাস এর উপযোগী করে তোলা। জানালার সামনে বড় গাছ লাগানো, বারান্দা রাখা ক্রস ভেন্টিলেশন এর উপযোগী করে ঘর তৈরি করা। এসব ভবিষ্যতে লোডশেডিং কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আপনাকে সাহায্য করবে।
প্রতিবেশীর সাথে এই টিপসগুলো শেয়ার করুন। একে অপরের অবস্থার খোঁজ নিন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের বৃষ্টির দিনে লোডশেডিং এর মাধ্যমে আমরা শিখি কিভাবে সীমিত সম্পদ, প্রতিকূল পরিবেশেও শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ খুঁজে নিতে হয়। বৃষ্টি আমাদের জীবনযাত্রার অংশ। এই প্রস্তুতিকে শত্রু ভাবার বদলে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে। কিছু সহজ বিজ্ঞানসম্মত কৌশল এবং প্রাচীন জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আমরা এটি মোকাবেলা করতে পারি। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাকে ও আপনার পরিবারকে বৃষ্টির রাতেও শান্তির ঘুম দিতে সাহায্য করবে।



অর্ডিনারি সিসি’র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url